সত্যরেখা ডেস্ক:
২০৩০ সালের মধ্যে দেশে ২৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। পাশাপাশি আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সমবায় ভবনে আয়োজিত এক সভায় এসব পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে যে ঘাটতি রয়েছে, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়িয়ে তা পূরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হলে বিদ্যুতের ঘাটতি অনেকটাই কমে আসবে। পরিকল্পনাটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে ফেব্রুয়ারির পর দেশে লোডশেডিং থাকবে না বলে আশা করছে সরকার।
সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনকারীদের জন্য আর্থিক সুবিধার বিষয়টিও তুলে ধরেন মীর শাহে আলম। তিনি জানান, আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে সোলার প্যানেলের মাধ্যমে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করলে প্রতি ইউনিটের বিপরীতে ১০ টাকা ৫০ পয়সা পাওয়া যাবে। এ সুবিধা ২০২৮ সাল পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। এরপর প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৬ থেকে ৭ টাকায় নেমে আসতে পারে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অব্যবহৃত ছাদ সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে কাজে লাগানোর ওপরও গুরুত্ব দেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বড় ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপন করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা গেলে তা জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের মাধ্যমে আয় করা সম্ভব। বিশেষ করে শুক্র ও শনিবার এবং ছুটির দিনে উৎপাদিত বিদ্যুৎ গ্রিডে সরবরাহ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বাড়তি অর্থ উপার্জন করতে পারবে।
সরকারের এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে একদিকে বিদ্যুতের ঘাটতি কমবে, অন্যদিকে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে বেসরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক অংশগ্রহণ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।