শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
শিরোনাম:
সিএস মানচিত্র ধরে ফুলজোড় নদীর প্রবাহপথ উদ্ধারের দাবি এলাকাবাসীর ফ্যাটি লিভার থেকে কি লিভার ক্যান্সার হতে পারে? যে ৭ লক্ষণে সতর্ক হবেন ওয়ানডে দলে প্রথমবার আলিস, বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবেন লিটন স্থানীয় সরকারকে জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেওয়াই সরকারের লক্ষ্য: মঈন খান দেশে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ, রমজানে সংকটের আশঙ্কা নেই: খাদ্যমন্ত্রী রায়গঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা জালাল নগর হাটের উদ্বোধন করলেন এমপি আয়নুল হক রায়গঞ্জে পৃথক অভিযানে বিভিন্ন মামলার ৫ আসামি গ্রেপ্তার রায়গঞ্জে সড়ক পুনর্বাসনে ১ কোটি ৬০ লাখ টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন নিজেকে নিয়ে চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই : ক্যাটরিনা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেন রাবির অধ্যাপক অরুণ কুমার বসাক

রায়গঞ্জে সড়ক পুনর্বাসনে ১ কোটি ৬০ লাখ টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন

Reporter Name / ৩৪ Time View
Update : শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৪ অপরাহ্ন

সত্যরেখা ডেস্ক:

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে ১ কিলোমিটার ৬২০ মিটার দীর্ঘ সড়ক পুনর্বাসনকাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে উপজেলার ঘুড়কা বাসস্ট্যান্ড থেকে ঘুড়কা হঠাৎপাড়া পর্যন্ত সড়কটির উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করেন সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ) আসনের সংসদ সদস্য ভিপি আয়নুল হক।

 

বন্যা ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পল্লি সড়ক অবকাঠামো পুনর্বাসন প্রকল্পের (ক্যাফড্রিপ) আওতায় সড়কটির পুনর্বাসনকাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। উদ্বোধনী ফলকে উল্লেখিত তথ্য অনুযায়ী, সড়কটির চুক্তিমূল্য ১ কোটি ৬০ লাখ ২২ হাজার ১৯৬ টাকা। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) রায়গঞ্জ উপজেলা কার্যালয় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

 

উদ্বোধনকালে উপস্থিত ছিলেন রায়গঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি শামসুল ইসলাম, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক দুলাল হোসেন খান, সলঙ্গা থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলীম সরকার, রায়গঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ ও আব্দুল কুদ্দুস মন্ডল, সলঙ্গা থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল লতিফ সরকার, উপজেলা প্রকৌশলী ফজলুল হক, ঘুড়কা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহসভাপতি শরিফুল ইসলাম ও সাবেক সভাপতি নাজমুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

 

সড়কটি পুনর্বাসন করা হলে ঘুড়কা বাসস্ট্যান্ড থেকে হঠাৎপাড়া পর্যন্ত এলাকার মানুষের যাতায়াত আরও সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি কৃষিপণ্য পরিবহন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও দৈনন্দিন চলাচলে সুবিধা বাড়বে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে সড়ক ব্যবহারকারীদের দুর্ভোগ কমার পাশাপাশি আশপাশের গ্রামগুলোর সঙ্গে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতি হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

 

সংশ্লিষ্টদের আশা, প্রকল্পের কাজ শেষ হলে এলাকার গ্রামীণ যোগাযোগব্যবস্থা আরও উন্নত হবে এবং স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর